
বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় ‘ক্যাশিয়ার অলি’ নামে একজন ব্যক্তি পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকান থেকে নিয়মিতভাবে টাকা আদায় করছেন এমন অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের।
এ বিষয়ে থানার ওসির সঙ্গে কথা বললে, তিনি সাফ জানিয়ে দেন অলি’ নামে কাউকে তিনি চেনেন না এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না তিনি আরও বলেন, শুধু বায়েজিদ না, সিএমপির কোথাও অবৈধ জ্বালানি তেলের দোকান থাকতে পারবে না, এবং আমি এখনই ব্যবস্থা নিচ্ছি
কিন্তু বাস্তবতা হলো— স্থানীয়রা ১ ঘণ্টার বেশি অপেক্ষা করেও পুলিশের কোনো পদক্ষেপ দেখতে পাননি। তখন প্রশ্ন জাগে, এটা কি কেবল ওসির অজানা নাকি ইচ্ছাকৃত নীরবতা?
সাধারণ মানুষের ভাষায়, যদি অলি পুলিশে না থাকেন, তাহলে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে দিনের পর দিন টাকা কে নিচ্ছে? আর পুলিশ কেন কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না?