1. live@nccbangla.com : NCC BANGLA : NCC BANGLA
  2. info@www.nccbangla.com : NCC BANGLA :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ন

প্রমাণ ছাড়াই চোরাচালান ও মাদকের অপবাদ! ফেনীতে সাংবাদিকদের তোপের মুখে হলুদ সাংবাদিকরা

প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ফেনীর স্থানীয় দৈনিক ‘ফেনীর সময়’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফেনী ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিদ্দিকী এবং ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ

গত ২৪ জুন ২০২৬ (মঙ্গলবার) ফেনীর কনসেপ্ট হাসপাতালের চতুর্থ তলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবাদ জানানো হয়
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, সম্প্রতি ‘দৈনিক ফেনীর সময়’ পত্রিকায় আলমগীর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে , বালুমহাল ও জমি দখল, মাদক ব্যবসা, সরকারি জমি থেকে মাটি লুট এবং চোরাচালানের মতো গুরুতর কিন্তু সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর অভিযোগ এনে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রকাশিত এই নিউজে কোনো ধরনের যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ বা সত্যতা তুলে ধরতে পারেনি পত্রিকাটি
সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা আলমগীর সিদ্দিকীকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক প্রশ্ন করতে থাকেন একপর্যায়ে জাতীয় দৈনিক ‘স্বাধীন সংবাদ’ পত্রিকার ফেনী  জেলা ব্যুরো চিফ সাজ্জাদুর রহমান ও স্টাফ রিপোর্টার একরামুল হক রিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতীয়  সীমান্তে চোরাচালানের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলা হয়
এই মিথ্যা ও মানহানিকর অপবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও চোরাচালানের যে অপবাদ দেওয়া হয়েছে, তার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও যৌক্তিক প্রমাণ হাজির করুন। প্রমাণ ছাড়া একজন পেশাদার সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে এমন নোংরা অপপ্রচার চালানো সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী
ভুক্তভোগী সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকে এই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও তথ্য চাওয়ার পর পরই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নাজিম উদ্দিন যার বিরুদ্ধে আবাসিক হোটেলে মেয়ে নিয়ে ধরা খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ও তার সত্যতা প্রমাণ পাওয়া যায় ফেনী প্রত্যয় নামক একটি ফেসবুক পেজে এবং চুমকি আক্তার (যারা নিজেদের সাংবাদিক দাবি করেন) তাদের সহকর্মী কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ক্ষিপ্ত ও ভড়কে যান। পরবর্তীতে তারা উল্টো অভিযোগ তোলেন যে, ওই সংবাদ সম্মেলনে নাকি তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে—যা সম্পূর্ণ সাজানো ও মূল ঘটনা থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।
উপস্থিত সাংবাদিক ও সচেতন মহল মনে করছেন, কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া স্থানীয় একটি পত্রিকায় এমন বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ এবং পেশাদার সাংবাদিকদের চোরাচালানের সাথে জড়িয়ে অপবাদ দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন

বিস্তারিত আসবে দ্বিতীয় পর্বে

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট